eeb999 বিশ্বাস করে গেমিং আনন্দের জন্য, চাপের জন্য নয়। নিজের সীমা জানুন, সঠিক টুল ব্যবহার করুন এবং সুস্থভাবে উপভোগ করুন।
"দায়িত্বশীল খেলা" – কথাটা শুনলে মনে হতে পারে এটা কোনো নিষেধাজ্ঞা বা সতর্কবার্তার মতো। আসলে ব্যাপারটা পুরোপুরি উল্টো। দায়িত্বশীল খেলার মানে হলো গেমিংকে সত্যিকারের বিনোদন হিসেবে উপভোগ করা – এমনভাবে যাতে সেটা আপনার জীবনের অন্য দিকগুলোতে নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে।
eeb999 শুরু থেকেই এই বিষয়টাকে একটি ব্যবসায়িক বাধ্যবাধকতা হিসেবে নয়, বরং প্রকৃত দায়িত্ব হিসেবে দেখে এসেছে। কারণ eeb999-এর সাফল্য নির্ভর করে সদস্যদের দীর্ঘমেয়াদী সুখের ওপর – ক্ষণিকের লাভের ওপর নয়।
বাস্তবে দায়িত্বশীল খেলার সবচেয়ে সহজ সংজ্ঞা হলো – বাজেটের মধ্যে থাকা, সময়ের সীমা মানা এবং গেমিংকে জীবনের কেন্দ্র না বানানো। ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে দেখতে একটু উত্তেজনা যোগ করতে সামান্য বেট করা আর সেই বেট না জিতলে হারানো টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য আরও বেশি বেট করা – এই দুটো জিনিসের মধ্যে একটা বড় পার্থক্য আছে। প্রথমটা বিনোদন, দ্বিতীয়টা সমস্যার শুরু।
eeb999-এ দায়িত্বশীল খেলার সুবিধাগুলো কোনো বিশেষ সদস্যের জন্য নয় – প্রতিটি অ্যাকাউন্টে এগুলো সক্রিয় আছে। আপনি যদি কখনো মনে করেন যে গেমিং একটু বেশি হয়ে যাচ্ছে, টুলগুলো ব্যবহার করার জন্য অন্য কারো কাছে যাওয়ার দরকার নেই – নিজেই অ্যাকাউন্ট থেকে সেট করা যাবে।
আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কথা – গেমিং কখনো আয়ের উৎস হিসেবে ভাবা উচিত নয়। মাঝে মাঝে বড় জয় আসে, এটা সত্যি। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে গেমিং থেকে নিয়মিত আয়ের প্রত্যাশা রাখলে হতাশা ছাড়া আর কিছু পাওয়া যাবে না। eeb999-এ যারা সবচেয়ে ভালো অভিজ্ঞতা পান তারা গেমিংকে ঠিক বিনোদনের মতোই দেখেন – সিনেমার টিকেটের মতো একটা খরচ, যার বিনিময়ে আনন্দ পাওয়া যায়।
নিজের গেমিং অভ্যাস নিয়ে ভাবার অভ্যাস রাখাটা ভালো। মাসের শেষে একবার দেখুন – কতটা সময় ও টাকা গেমিংয়ে গেছে। সংখ্যাটা দেখলে নিজেই বুঝতে পারবেন পরিস্থিতি ঠিক আছে কিনা। eeb999-এর লেনদেন ইতিহাস এই কাজে সাহায্য করে।
পরিবারের বা বন্ধুদের কেউ যদি মনে করেন আপনার গেমিং অভ্যাস নিয়ে কথা বলতে চান, সেই কথাটা শুনুন। বাইরে থেকে অনেক সময় জিনিসটা বেশি স্পষ্ট বোঝা যায়। eeb999 চায় প্রতিটি সদস্যের কাছের মানুষরাও এই প্ল্যাটফর্মকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখুক।
সবশেষে, যদি কখনো মনে হয় গেমিং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে – থামুন, একটু বিরতি নিন এবং সাহায্য নিন। এটা দুর্বলতা নয়, বরং সাহসিকতা। eeb999-এর সাপোর্ট দল এবং এই পেজে দেওয়া টুলগুলো আপনার পাশে আছে।
হারানো টাকা ফেরত পেতে আরও বেট, লুকিয়ে গেমিং করা, পরিবারের সাথে সময় কম দেওয়া বা গেমিংয়ের কারণে ঘুম বা খাওয়া বাদ পড়া – এই লক্ষণগুলো দেখলে বিরতি নেওয়া জরুরি।
প্রতিটি সদস্যের জন্য বিনামূল্যে, সবসময় সক্রিয়
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক কতটুকু ডিপোজিট করবেন তা অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে নিজে ঠিক করুন। একবার সীমা দিলে সেটা বাড়াতে ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় – কিন্তু কমানো যাবে সাথে সাথেই।
শুধু ডিপোজিট নয়, প্রতিটি গেম বা বেটিং সেশনে কতটুকু বাজি ধরবেন সেটাও নির্ধারণ করা যায়। বাজেট শেষ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে থেমে যাবে।
কতক্ষণ খেলবেন সেটা আগে থেকে ঠিক করুন। নির্ধারিত সময় শেষ হলে eeb999 আপনাকে মনে করিয়ে দেবে এবং প্রয়োজনে সেশন থামিয়ে দেবে।
কয়েকদিন বা কয়েক সপ্তাহের বিরতি নিতে চাইলে কুলিং-অফ পিরিয়ড ব্যবহার করুন। এই সময়ে অ্যাকাউন্ট লক থাকবে এবং লগইন করা যাবে না।
৩০ দিন থেকে ৫ বছর পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে eeb999 থেকে বের হয়ে আসার সুবিধা। একবার সেলফ-এক্সক্লুশন চালু হলে মেয়াদ শেষের আগে বাতিল করা যাবে না।
আপনার সমস্ত লেনদেন ও গেমিং ইতিহাস অ্যাকাউন্টে দেখা যায়। কতটা সময় ও টাকা গেছে – এই সংখ্যা দেখলে নিজেই পরিস্থিতি বুঝতে পারবেন।
ধাপে ধাপে সহজ নির্দেশিকা
eeb999-এ আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েবসাইট – যেকোনোটা থেকে একইভাবে কাজ করে।
স্ক্রিনের উপরের ডানদিকে আপনার নাম বা অ্যাভাটারে ট্যাপ করুন। ড্রপডাউন মেনু থেকে "অ্যাকাউন্ট সেটিংস" বা "প্রোফাইল" বেছে নিন।
সেটিংসের মধ্যে "দায়িত্বশীল খেলা" বা "Responsible Gaming" নামে আলাদা একটি বিভাগ পাবেন। সেখানে সব টুল একসাথে পাবেন।
ডিপোজিট সীমা, বেটিং বাজেট, সেশন সময় বা সেলফ-এক্সক্লুশন – যা দরকার তা নির্বাচন করুন এবং পরিমাণ বা সময়সীমা দিন।
OTP বা পাসওয়ার্ড দিয়ে নিশ্চিত করলে সীমা সাথে সাথে কার্যকর হবে। eeb999 থেকে একটি নিশ্চিতকরণ বার্তা আসবে।
সীমা কমানো সাথে সাথে কার্যকর হয়। বাড়াতে হলে ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে – এই বিলম্বটা আপনার সুরক্ষার জন্যই।
পরিস্থিতি বুঝে সঠিক টুল বেছে নিন
ডিপোজিট সীমা ব্যবহার করুন। দৈনিক বা মাসিক সীমা দিলে ওই পরিমাণের বেশি ডিপোজিট করতে পারবেন না – যতই ইচ্ছে করুক না কেন।
→ ডিপোজিট লিমিটসেশন সময়সীমা নির্ধারণ করুন। ধরুন প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১ ঘণ্টা – সময় শেষ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্ক করা হবে।
→ সেশন টাইম লিমিটকুলিং-অফ পিরিয়ড ব্যবহার করুন। ১ দিন থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত সীমাবদ্ধ বিরতি নেওয়া যায়। এই সময়ে অ্যাকাউন্ট লক থাকবে।
→ কুলিং-অফ পিরিয়ডসেলফ-এক্সক্লুশন বেছে নিন। ৩০ দিন থেকে ৫ বছর পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় থাকবে এবং মেয়াদের মাঝে বাতিল করা যাবে না।
→ সেলফ-এক্সক্লুশননিচের প্রশ্নগুলো নিজেকে করুন। যদি দুটোর বেশি প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে বিরতি নেওয়া বা সাপোর্টে কথা বলা ভালো।
গেমিং বাজেটের চেয়ে বেশি টাকা খরচ হচ্ছে বারবার?
হারলে পরের বার আরও বেশি বেট দিয়ে ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করছেন?
পরিবার বা বন্ধুদের কাছে গেমিংয়ের বিষয়টা লুকিয়ে রাখছেন?
গেমিংয়ের কথা ভাবতে ভাবতে কাজ বা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছেন না?
গেমিং বন্ধ করতে চাইলে অস্বস্তি বা উদ্বেগ অনুভব করছেন?
দৈনন্দিন খরচের টাকা গেমিংয়ে ব্যবহার করছেন?
উপরের প্রশ্নে "হ্যাঁ" উত্তর দেওয়া মানে দুর্বলতা নয়। eeb999-এর সাপোর্ট দলের সাথে কথা বলুন – সম্পূর্ণ গোপনীয়তার সাথে সাহায্য করা হবে।
১৮ বছরের কম বয়সীদের eeb999 থেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
নিবন্ধনে NID বা পাসপোর্ট যাচাই করা হয়। ১৮ বছরের কম হলে অ্যাকাউন্ট তৈরি হবে না।
ফোনে eeb999 অ্যাপে পিন বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট লক রাখুন যাতে শিশুরা অ্যাক্সেস না পায়।
সন্তান অ্যাকাউন্ট খুলেছে মনে হলে সাথে সাথে support@eeb999.best-এ জানান।
অপ্রাপ্তবয়স্কের অ্যাকাউন্ট শনাক্ত হলে তাৎক্ষণিক বন্ধ এবং সম্পূর্ণ ব্যালেন্স বাজেয়াপ্ত।
সেলফ-এক্সক্লুশন চালু হলে eeb999 থেকে সব মার্কেটিং মেসেজ বন্ধ হয়, লগইন সম্পূর্ণ আটকায় এবং মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনোভাবেই খেলা যাবে না। এটি সবচেয়ে কঠোর সুরক্ষা টুল – এবং eeb999 চায় যে যার দরকার সে যেন এটা ব্যবহার করেন।
eeb999 সদস্যরা প্রায়ই যা জানতে চান
সদস্যপদের সব শর্ত
আপনার তথ্যের সুরক্ষা
দ্রুত ডিপোজিট ও উইথড্র
eeb999-এর পরিচয় ও লক্ষ্য